Daily Durjatra

মূলধারার সাংবাদিকদের জ্বালানি দিতে পাম্প মালিকদের আহ্বান জলবায়ু সুরক্ষায় ছাত্রনেতা আসিফের উদ্যোগে ঝালকাঠিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‎ হাদি হত্যার ১০০ দিন: ঝালকাঠি ইনসাফ মঞ্চের বিচার দাবি ঝালকাঠিতে গণহত্যা দিবস ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা সভা বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি : ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ‎ সন্তানের লা*শ কোলে নিয়ে বিচার চাইলেন মা দায়িত্ব না দিয়ে ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী ছুটিতে, ৮ ঘণ্টা অন্ধকারে ঝালকাঠির গ্রাহকরা খাল আমাদের প্রাকৃতিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও লাইফলাইন” – প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ড. জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে ঝালকাঠিতে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নলছিটি ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দূর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

দূরযাত্রা রিপোর্টঃ-ঝালকাঠির নলছিটি সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কবিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ থাকায় তাঁর পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল ১১ টায় নলছিটি প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন কলেজের কয়েক শত শিক্ষার্থী। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় বক্তব্য রাখেন, কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাবু, বর্তমান সভাপতি রাকিব গাজী, সদস্যসচিব হিমেল ও শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদ। বক্তারা অভিযোগ করেন, রফিকুল ইসলাম কবির নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক পদে রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ঘণিষ্ঠ হওয়ায় তাকে অবৈধ ভাবে নলছিটি ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। কলেজে অধ্যক্ষ পদ শূন্য থাকায় তিনিই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর অবৈধ নিয়োগের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে একটি
মামলা করা হয়েছিল। মামলায় নিয়োগ স্থগিত করা হলেও দলীয় প্রভাবে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ পান। তার নিয়োগ পরীক্ষায় ২৯ জন প্রার্থী থাকার পরও দলীয় চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে কাউকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। দুই জন ডামি প্রার্থী রেখে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে কলেজ সরকারি করণের কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় ভর্তি ফি ১২৫০ টাকা বোর্ড থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও সেখানে তিনি ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার হাজার টাকা নিয়ে ভর্তি বাণিজ্য করেছেন। এইচএসসি পরীক্ষার এডমিট কার্ড দেওয়া বাবদ প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়েছেন। এভাবে নানা কৌশলে অনিয়ম এবং বাণিজ্য করে দীর্ঘ ১২ বছরে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ।
এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম কবির বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করে মানববন্ধন করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে সমাজে ছোট করার জন্য একদল লোক আমার পেছনে লেগেছে।