দূরযাত্রা রিপোর্টঃ সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ন ২৬ কোটি ২৭ লাখ ১১ হাজার টাকার বেশি মূল্যের সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখা এবং তার নামেও ১৪টি ব্যাংক হিসাবে মাধ্যমে ৩১ কোটি টাকার বেশি সহেন্দজনক লেনদেন করে উক্ত টাকা জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, স্থানান্ততর এবং রুপান্তের করার অপরাধ অনুসন্ধান কালে প্রমানিত হয়েছে এই কারণে তার বিরুদ্ধে দূনীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ দূনীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এবং মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এর সংশ্লিষ্ট একটি মামলার রুজুর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সুমাইয়া হোসেন তার পিতা আমির হোসেন আমু দায়িত্ব পালন কালে সুমাইয়া পিতার সযোগিতা ও ক্ষমতার অপব্যাবহার করে দুনীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকার ও বেশি জ্ঞাত আয়ের সাথে সংগতি বিহীন সম্পদ অর্জন সহ তার নামে ও ১৮ টি ব্যাংক হিসেবে ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার ও বেশি সহেন্দজনক লেনদেন করে উক্ত টাকা জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, স্থানান্ততর এবং রুপান্তর করার অপরাধ অনুসন্ধান কালে প্রমানিত হওয়ায় সুমাইয়া হোসেন ও তার পিতা আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে দুনীতি দমন কমিশন ২০০৪ দূনীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এবং মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এবং দন্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধায়ার আরো একটি মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সৈয়দা হক মেরীর কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা স্বত্তেও তার ভগ্নিপতি আমির হোসেন আমু সাবেক সংসদ ও মন্ত্রী পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতায় অসাধু উপায়ে ৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকার অধিক বেশি মুল্যের জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভুত সম্পদ অর্জন সহ মেরীর নামেও তার ব্যাংক হিসেবে ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি সহেন্দজনক লেনদেন করে উক্ত টাকা জ্ঞাত সারে হস্তান্তর ,স্থানান্তর , এবং রুপান্তর করার অপরাধ প্রমানিত হওয়ায় সৈয়দা হক মেরী ও আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে দন্ডবিধি দুনীতি দমন কমিশন ২০০৪ দূনীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এবং মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এবং দন্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধায়ায় আরো একটি মামলার রুজুর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।