দূরযাত্রা রিপোর্টঃ ঝালকাঠিতে লাইসেন্স বিহীন অবৈধ অটো রিকসার বিরুদ্ধে পৌর কর্তৃপক্ষ অভিযান পরিচালনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে অটোরিকশা ও ইজিবাইক সমবায় সমিতি। একারণে ২১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে শহরে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কিছুটা ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা।
গত ১ মাস থেকেই অবৈধ অটো রিকসা প্রতিরোধে অভিযান পরিচালিত হওয়ায় সাধারন মানুষ খুশি। কারণ এতে অটো রিকসার যানজট অনেকটা কমেছে। এদিকে ঝালকাঠি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স ইস্যু ও চেকিংয়ের নামে হয়রানির অভিযোগে সকাল থেকেই শহরের প্রধান সড়ক গুলোতে যাত্রীদের দীর্ঘ সময়
অপেক্ষা করতে দেখা যায়। ইজিবাইক বা অটোরিকশা না থাকায় গন্তব্যে হেঁটে যেতে হচ্ছে যত্রিীদের। কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মহাসড়কে চলা সিএনজি বা প্যাডেল চালিত রিকশায় উঠতে বাধ্য হচ্ছে। শ্রমিক নেতাদের দাবি আগে ঝালকাঠি পৌরসভায় ১ হাজার ১৫০টি অটোরিকশা লাইসেন্স ছিল। বর্তমানে কর্তৃপক্ষ মাত্র ৭১৩টির লাইসেন্স নবায়ন করেছে। অবশিষ্ট যানবাহন বৈধ করার দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।
যাত্রী উজ্জ্বল রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হঠাৎ ধর্মঘট ডাকার কারণে আমরা সাধারণ মানুষ পড়েছি বিপদে। হাসপাতালে যেতে দেরি হচ্ছে, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও সমস্যায় পড়েছে। ভাড়া গাড়ি পেলেও তিন গুণ টাকা দিতে হচ্ছে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের হাজারো চালক পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছে। আমরা চাই সব যানবাহনকে বৈধ করা হোক। অটো শ্রমিকরা মানববন্ধনে বলেন, পৌরসভা থেকে যে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বেশির ভাগ পৌরসভা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে লোকজন নিয়েছে। কোন মহিলা অটোচালক নেই তবুও মহিলা চালকের নামে লাইসেন্স ইস্যু করা হয়।
পৌরসভার প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, শহরে বৈধ অটো রিকশার সংখ্যা ১ হাজার ৩৫০টি। বাকি গুলোর বৈধকরণ প্রক্রিয়া চলছে। এর বাইরে আরও অসংখ্য অবৈধ অটোরিকশা চলছে। যা শহরে যানজটের পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলে বাঁধাগ্রস্থ করছে। যত্রতত্র এসব অবৈধ অটো থামিয়ে রেকে শহরের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করছে। এগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। শ্রমিক সমিতির দাবি পুরোপুরি অযৌক্তিক।




