দূরযাত্রা রিপোর্ট :
ঝালকাঠির রাজাপুরে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মানে এক ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী ও মিসেস সাবরিনা সামাদ ফিরোজীর উদ্যোগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে রাজাপুরের তালুকদার বাড়ি মসজিদসংলগ্ন বাইপাস মোড়ে ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজীর স্থানীয় কার্যালয়ে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধনায় রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলার ১৭টি কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে ১৫৮ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫৯ জন ছেলে এবং ৯৯ জন মেয়ে শিক্ষার্থী গোল্ডেন জিপিএ, A+ ও A গ্রেড অর্জন করায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সংবর্ধনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কাউন্সেলিং সেশন পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন মেধাবী শিক্ষার্থী। তারা ভর্তি প্রস্তুতি, বিভাগ নির্বাচন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ক্যারিয়ার গঠনে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সেশন পরিচালনায় ছিলেন— রাশেদ কামাল আনিক, মো. শাকিল, মো. শাহ সুফি ওয়াছি মিয়া,
কাজী মাহমুদুল হাসান, মো. সমুদ্দুল হাসান
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী। আরও উপস্থিত ছিলেন মিসেস সাবরিনা সামাদ ফিরোজী, নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডিশনাল পিপি মো. আককাস সিকদার, রাজাপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মতিউর রহমান টুকু। এ ছাড়া স্থানীয় শিক্ষক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জলিল আদিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেন, রাজাপুর ও কাঠালিয়ার শিক্ষার্থীরা বারবার প্রমাণ করেছে—সুযোগ পেলে তারা দেশের জন্য মেধা ও যোগ্যতার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটাতে পারে। ভবিষ্যতেও আমরা তাদের পাশে থাকব।
সংবর্ধনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কৃতিপ্রাপ্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।
#




