Daily Durjatra

ঝালকাঠিতে ছেলের হাতে মা খুন ‎ ঝালকাঠিতে জুলাই শহীদ পরিবারের মাঝে সঞ্চয়পত্র বিতরণ ঝালকাঠিতে বাফলা চ্যারিটির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ সহ্য করা হবে না – ইসি সানাউল্লাহ তারেক রহমানের সাথে সিলেটের যুব সংলাপ বাংলাদেশের রাজনীতিকে কী বার্তা দিল গণভোটের প্রচারণায় ঝালকাঠিতে জেলা তথ্য অফিসের ‘ভোটের রিকশা’ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিল পিআইবি ‎ ঝালকাঠিতে পিআইবির ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ঝালকাঠির দুই আসনে চার প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন ‎ ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে এবি পার্টির প্রার্থিতা প্রত্যাহার

আওয়ামী নেতা ও শাহী জর্দার মনু মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

দূরযাত্রা রিপোর্ট :

ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও আদি সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস শাহী ৯৯ জর্দা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাসসুল হক মনু মিয়াসহ দুইজনের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে শাহী কোম্পানির শ্রমিক রুবিনা বেগম বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। ট্রাইবুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহন করার নির্দেশ দেন। বাদি পক্ষের আইনজীবী পার্থ সারথী রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার নালিশিতে বাদী রুবিনা উল্লেখ করেন যে, আসামি মনু মিয়ার তার জর্দা কারখানায় অপর আসামি ফরিদ হোসেন একজন বিশ্বস্ত শ্রমিক।

ফরিদ হোসেন বাদি রুবিনাকে ফুসলিয়ে চাকুরির প্রলোভনে দিয়ে কোম্পানির মালিক মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যায়। এরপর মনু মিয়া তাকে শারিরীক মেলামেশার প্রস্তাব দেয়। আমি তাকে এড়িয়ে থাকি,। ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আমাকে তারা  কারখানায় আসতে বলে। সেখানে এলে মনু মিয়ার রুম পরিস্কার করতে বলে চলে যায় ফরিদ। রুমে প্রবেশের পর আসামি মনু মিয়া জোরপূর্বক আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। সেই থেকে আমি সেখানে চাকুরি করার সুবাধে একাধিকবার আমাকে ধর্ষণ করায় অমি গর্ভবতী হয়ে পড়ি। এ ঘটনায়, আসামি গর্ভের সন্তানকে বৈধতা দিতে আসামি মনু মিয়ার পরামর্শে ২নং আসামি ফরিদ হোসেন ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি কাবিন রেজিস্ট্রির মাধ্যমে আমাকে বিবাহ করে। এরপর একই বছরের ১৫ জুলাই আমার একটি কন্যা সন্তান ভুমিষ্ঠ হয়। একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদ হোসেন আমাকে তালাক দেয়। এতে আমি অসুস্থ হলে সাক্ষীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে ২ ডিসেম্বর মামলা করতে থানায় যাই। থানা কতৃপক্ষ আমাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।

‎এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ হাতে পাইনি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

#