Daily Durjatra

মূলধারার সাংবাদিকদের জ্বালানি দিতে পাম্প মালিকদের আহ্বান জলবায়ু সুরক্ষায় ছাত্রনেতা আসিফের উদ্যোগে ঝালকাঠিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‎ হাদি হত্যার ১০০ দিন: ঝালকাঠি ইনসাফ মঞ্চের বিচার দাবি ঝালকাঠিতে গণহত্যা দিবস ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা সভা বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি : ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ‎ সন্তানের লা*শ কোলে নিয়ে বিচার চাইলেন মা দায়িত্ব না দিয়ে ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী ছুটিতে, ৮ ঘণ্টা অন্ধকারে ঝালকাঠির গ্রাহকরা খাল আমাদের প্রাকৃতিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও লাইফলাইন” – প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ড. জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে ঝালকাঠিতে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

‎ঝালকাঠি ১ আসনের এমপি জামালের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে ক্ষোভ, নিন্দা জামায়াতে ইসলামীর

দূরযাত্রা রিপোর্ট :


‎ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের একটি বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়া ভোটারদের উদ্দেশ্যে কুরুচিপূর্ণ (জারজ সন্তান) মন্তব্য করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝালকাঠি জেলা শাখা।


‎রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে জেলা আমীর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান ও জেলা সেক্রেটারি মো. ফরিদুল হক বলেন, সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা দিয়েছে। পছন্দের দলকে ভোট দেওয়া নাগরিকের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অধিকার। এই অধিকার চর্চার কারণে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা বা বংশপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা চরম ধৃষ্টতা এবং সংবিধান ও গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
‎বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট আসনের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে অনেক ভোটার সমর্থকদের শারীরিক ও মৌখিক হুমকির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেউ কেউ আতঙ্কে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। এমন আচরণকে তারা ‘ফ্যাসিবাদের নতুন সংস্করণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

‎জেলা নেতারা বলেন, একজন সংসদ সদস্য এলাকার সব মানুষের প্রতিনিধি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তার প্রকাশ হতে হবে যুক্তি ও শালীন ভাষায়। অশালীন শব্দচয়ন রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয় বহন করে এবং এতে সমাজে বিভাজন ও বিদ্বেষ বাড়ে।
‎বিতর্কিত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যেন উসকানিমূলক ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার না করেন, সে আহ্বানও জানানো হয়।

#