Daily Durjatra

ঝালকাঠিতে ছেলের হাতে মা খুন ‎ ঝালকাঠিতে জুলাই শহীদ পরিবারের মাঝে সঞ্চয়পত্র বিতরণ ঝালকাঠিতে বাফলা চ্যারিটির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ সহ্য করা হবে না – ইসি সানাউল্লাহ তারেক রহমানের সাথে সিলেটের যুব সংলাপ বাংলাদেশের রাজনীতিকে কী বার্তা দিল গণভোটের প্রচারণায় ঝালকাঠিতে জেলা তথ্য অফিসের ‘ভোটের রিকশা’ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিল পিআইবি ‎ ঝালকাঠিতে পিআইবির ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ঝালকাঠির দুই আসনে চার প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন ‎ ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে এবি পার্টির প্রার্থিতা প্রত্যাহার

ঝালকাঠিতে বিষ মিশানো ধান দিয়ে শত্রুতার জের মিটাতে মারা হয়েছে ৬০ টি হাঁস

দূরযাত্রা রিপোর্ট ঝালকাঠিতে দেওয়া ধানের সাথে বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলা হয়েছে ৬০ টি ডিম পাড়া হাঁস। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে হুজাইফা এগ্রো ফার্ম মালিকের । ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের আগড়বাড়ি গ্রামে রবিবার দিবাগত রাত ১২ টার পর এ ঘটনা ঘটে। এর এক মাস পূর্বে একই মালিকের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে তিন লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলে দূর্বৃত্তরা।  হাঁস মেরে ফেলার ঘটনায় ঝালকাঠি থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।  হুজাইফা এগ্রো ফার্মের মালিক নাসরিন আক্তার জানান, গত পাঁচ মাস পূর্বে ৯০ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট চওড়া একটি সেড করে হাঁস পালন শুরু করেন তিনি। এক হাজার হাঁস ছিল খামারে। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচশত হাঁসে ডিম পাড়া শুরু করেছে। সাথে একটি মাছের ঘের রয়েছে তার। দূর্বৃত্তরা সেড এর বেরা কেটে ধানের সাথে বিষ মিসিয়ে হাঁসকে খেতে দেয় । বিষাক্ত ধান খেয়ে প্রায় শতাধিক হাঁস অসুস্থ হয়ে পরে। সোমবার সকাল সারে ৭ টার দেখতে পেরে চিকিৎসকের পরর্মশ নেয়া হয়। এর মধ্যে ৬০ টি হাঁস মারা যায়। রাতের আধারে কে বা কাহারা বিষ প্রয়োগ করে হাঁস মেরেছে তা যানা যায়নি। বর্তমানে নাসরিন আক্তার ও তার ননদ সুলতানা জুথি তাদের দুইজন শিশু সন্তান নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।  নাসরিন আক্তার বলেন,‘ প্রায় একমাস পূর্বে আমাদের মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে তিন লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা।  আবার এখন বিষ প্রয়োগ করে  ৬০ টি হাস মারা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। একই সাথে এ ঘটনায় জরিতদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়ার দাবি করছি। ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন,‘ আমরা এখনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।